www.gbk-bd.org

২০১৮ সালের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়া হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী

 

রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৪

পার্বতীপুর প্রতিনিধি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এমপি বলেছেন, ২০১৮ সালের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, এনজিওসহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এগিয়ে যেতে চাই। গত শুক্রবার দুপুরে পার্বতীপুর উপজেলার খোড়াখাই চাকলা বাজার মুশহরপাড়ার (আদিবাসী) ৬৮টি বাড়িতে সৌরবিদ্যুতের সংযোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেনুল ইসলাম, বেসরকারি সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।

উপজেলার মন্মথপুর ইউনিয়নের খোড়াখাই চাকলা বাজার মুশহর পল্লীতে ৬৮টি পরিবারে ৩৫৮ জন নারী-পুরুষ বসবাস করে। মুশহর পল্লীর ৩০ মিটারের মধ্যে চাকলা বাজারে পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার মতো সামর্থ্য পিছিয়ে পড়া এসব জনগোষ্ঠীর নেই। তারা দিন আনে দিন খায়। কেরোসিনের তেল কিনে কোনোমতে আলো জ্বালিয়ে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করে থাকে। স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র (জিবিকে) শিশুদের লেখাপড়া শেখানোর জন্য একটি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করেছে।

প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ শেষ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে। কিন্তু আলোর অভাবে রাতে তারা পড়ালেখা করতে পারে না। তাছাড়া পশ্চাৎপদ এ জনগোষ্ঠীর লোকজন সন্ধ্যা-রাতে আয়বৃদ্ধিমূলক কোনো কাজকর্মও করতে পারে না। এসব দিক বিবেচনা করে হেকস-সুইজারল্যান্ডের আর্থিক সহযোগিতায় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬৮টি পরিবারের মাঝে ৬৮টি সোলার হোম সিসটেম (সৌরবিদ্যুৎ) বিনামূলে বিতরণ করে। সৌরবিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হওয়ায় এদের আনন্দের সীমা নেই।